করোনা ও বেঁচে থাকার যুদ্ধ ২.০- দৌলতদিয়া যৌনপল্লী

করোনা ও বেঁচে থাকার যুদ্ধ ২.০- দৌলতদিয়া যৌনপল্লী

আমাদের সমাজে পেশাগত কিছু ট্যাবু আছে। কিছু পেশাকে আমরা একদম নিকৃষ্ট চোখে দেখি বা ঘৃণা করি। আপাতদৃষ্টিতে সেগুলোকে খারাপ বলে মনে করলেই কখনো কি ভেবে দেখেছি কেন কিছু মানুষ এই পেশাগুলোকে বেছে নেয়? হয়তো আন্দাজ করতে পেরেছেন কাদের কথা বলছি আমরা! হ্যাঁ, যৌনপল্লিতে কাজ করা সেইসব মানুষের কথা বলছি। সমাজ কিংবা ধর্মের দোহাই দিয়ে হয়তো আমরা তাদের এই কাজ ন্যায়সংগত কিনা সেই তর্কে যেতে পারি। অথচ খোঁজ নিলে দেখা যায় যৌনপল্লিতে কাজ করা বেশিরভাগ মেয়েদেরই তাদের অনিচ্ছা সত্ত্বে বা জোরপুর্বক এখানে বিক্রি করে দিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই তাদের এখানে বাকি জীবন পার করতে হয়। তারা নিজেরা তো বটেই, তাদের সন্তানদের পরিণতিও হয় একই! অন্য সময়ে সমাজের লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে কোনরকমে দিন পার করতে পারলেও তাদের জীবন যেন থমকে আছে বর্তমানে চলমান এই মহামারীর জন্য।

তাই ধর্ম অথবা চিরাচরিত সমাজের দোহাই দিয়ে আমরা এড়িয়ে যেতে পারিনি এই মানুষগুলোর চাপা আর্তনাদ। কারন ধর্মেও বলা আছে মানবসেবাও ধর্মের অংশ। সেজন্যই

গত ১৬.০৪.২০ তারিখে রাজবাড়ির দৌলতদিয়ার যৌনপল্লীতে ২৫০জন যৌনকর্মীকে আগামী বিশ দিনের খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ছিল- চাল ২৫০০ কেজি, ডাল ৭৫০ কেজি, আলু ১৭৫০ কেজি, চিড়া ৫০০ কেজি, সয়াবিন তেল ২৫০ লিটার, লবন ১২৫ কেজি, সাবান ৫০০ পিস।

Leave a Reply

Your email address will not be published.